শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৫০ অপরাহ্ন

শিরোনাম
আজকের মেধাবী শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের সমৃদ্ধ – মাগুরায় কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নূরুল ইসলাম সাদ্দাম Macca Defence Pact: A Severe Setback to India’s Strategic Calculations* *— Professor MA Barnik *মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি : ভারতের স্ট্র্যাটেজিক হিসাব-নিকাশে বড় ধরনের ধাক্কা— অধ্যাপক এম এ বার্ণিক মাগুরার শ্রীপুরে বিদ্যুতায়িত হয়ে এক যুবকের মৃত্যু, আহত আরো -২জন চাটমোহরে তেল-জেলিতে তৈরি হচ্ছিল নকল দুধ, ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড ও জরিমানা The Mecca Defence Pact: India’s Concerns, the Positions of Major Powers, and Bangladesh’s Potential Gains and Losses* *–Professor M. A. Barnik মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি: ভারতের উদ্বেগ, পরাশক্তিদের অবস্থান এবং বাংলাদেশের সম্ভাব্য লাভ-ক্ষতি* *—অধ্যাপক এম এ বার্ণিক* কেন্দ্রীয় যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি পলের রোগমুক্তিতে এস. আলম ইসরাৎ এর উদ্যোগে দোয়া আন্দালিব রহমান পার্থকে তথ্যমন্ত্রী করায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দকে মিষ্টিমুখ করালো বিজেপি ভাষা সৈনিক অজিত গুহ মহাবিদ্যালয়ে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা:) উদযাপন

একটি সাইনবোর্ড অতপর!

সংবাদদাতা / ১২২ বার ভিউ
সময়ঃ শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৫০ অপরাহ্ন

ফজলে মমিন,শ্রীপুর (গাজীপুর)

গাজীপুরের শ্রীপুর থানার প্রবেশ দ্বারে ” টাউট, বাটপার ও দালালমুক্ত” ঘোষনা লেখা ছাঁটানো সাইনবোর্ডটি এখন দেখছে না থানায় সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ।

ওই সময় থানায় সেবা নিতে আসা মানুষদের হাসি মুখে অভ্যর্থনার পাশাপাশি চকলেট দিয়ে আপ্যায়ন করেছিলেন ওসি এএফএম নাসিম। কিন্তু পুলিশের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছিল। শুধু তাই নয়, কেউ হারাচ্ছে অর্থ, কেউ জমি-জমা।

থানার দালালের হাতে জিম্মি ছিল গাজীপুরের শ্রীপুরের মানুষ।                                                                                              দালালের হাতেই জিম্মি হয়ে ছিল শত শত বিচারপ্রার্থী মানুষ। দালালের খপ্পরে পড়ে কেউ হচ্ছেন মিথ্যা মামলার আসামি আবার কেউ হারাচ্ছেন নগদ টাকা ও জমি-জমা। থানায় পুলিশের সোর্স পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষকে নানা ধরনের মিথ্যা মামলায় জড়ানোর হুমকি দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ ছিল। এসব অভিযোগে সংবাদ সম্মেলনও করেছেন অনেক ভুক্তভোগী।

গাজীপুরের শ্রীপুর থানাকে টাউট, বাটপার ও দালালমুক্ত ঘোষণা করে একটি সাইনবোর্ড  সাঁটিয়েছে ছিল পুলিশের এক কর্মকর্তা। ২০২৩ সালের (১৭ মে) এ সাইনবোর্ডটি সাঁটানো হয়। যদিও তখনকার সময়ে দালালদের’ই দখলে ছিল থানা।

এই সাইনবোর্ড দেখে মানুষ হাসি-ঠাট্টাও করেছিলেন। আবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এটিকে নিয়ে মানুষ প্রশংসাও করেছিল। থানার সামনে টাউট, বাটপার ও দালাল মুক্ত সাইনবোর্ড থাকাটাই ভালো মনে করেন সাধারণ মানুষ।

সাইনবোর্ডের বিষয়ে শ্রীপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জয়লাল আবেদীন মন্ডল দৈনিক সময়ের কাগজকে জানান, এখানে এমন এ ধরনের কোন সাইনবোর্ড ছিল কিনা আমার জানা নেই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


[prayer_time pt="on" sc="on"]