মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:০১ অপরাহ্ন
মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন,
চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:
২৫৯, কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) সংসদীয় আসনে ১১ দলীয় জোট মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে কুমিল্লা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান তাকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করেন। এ সময় তিনি কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমীর এডভোকেট মুহাম্মদ শাহজাহানের নিকট আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল কপি হস্তান্তর করেন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের আমীর মু. মাহফুজুর রহমান ও সেক্রেটারি মু. বেলাল হোসাইন।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দিনব্যাপী উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ডা. তাহের দাড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৩০৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপি’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি মো. কামরুল হুদা পেয়েছেন ৭৬ হাজার ৬৩৮ ভোট। এ আসনে অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ইসলামী আন্দোলন মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মো. মহিউদ্দিন শহিদ পেয়েছেন ২ হাজার ৭৬৬ ভোট, জাতীয় পার্টি মনোনীত লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী মো. মাইন উদ্দিন পেয়েছেন ৭০৪ ভোট, বাংলাদেশ কংগ্রেস ডাব প্রতীকের প্রার্থী আ. ফ. ম আব্দুর রহিম পেয়েছেন ১৯৪ ভোট, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট মনোনীত প্রার্থী ছড়ি প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ ইউসুফ পেয়েছেন ১৮৬ ভোট, গণফ্রন্ট মনোনীত মাছ প্রতীকের প্রার্থী মো. আলমগীর পেয়েছেন ৯৮ ভোট।
আসনটিতে নানা অনিয়মের অভিযোগে তিনটি কেন্দ্রের ভোট বাতিল করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে ভোটের সংখ্যা ১২ হাজারের অধিক। তবে, দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহেরের ভোটের সংখ্যা বেশি হওয়ায় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তাকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।
এ বিষয়ে ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেন, মহান আল্লাহ তা’আলার অশেষ মেহেরবানীতে এবং জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে আমি বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছি। আমি চৌদ্দগ্রামবাসীর কাছে অশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। ইনসাফের সমাজ বিনির্মাণে ও আধুনিক ও উন্নত চৌদ্দগ্রাম গঠনে জনগণকে সাথে নিয়ে আমি কাজ করব। সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে ন্যায় এবং ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করা হবে। সন্ত্রাস-চাঁদাবাজমুক্ত চৌদ্দগ্রাম গড়তে আমি সকলের সহযোগিতা চাই।