শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০২:০৭ পূর্বাহ্ন
ইব্রাহীম খলিল,
নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি:
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি নুরুল হক নূর বলেছেন, “আওয়ামী লীগের আমলে শেখ হাসিনা আমাদের আসন অফার করেছিলেন, টাকা অফার করেছিলেন। কিন্তু আমরা ফ্যাসিবাদের সঙ্গে কোনো আপোষে যাইনি। আমরা ২-৪টি আসনের লোভে কারও সঙ্গে জোট করব না। দেশের স্বার্থে জোট হলে তা হবে ন্যায্যতার ভিত্তিতে সম্মানজনক আসন সমঝোতার মাধ্যমে।”
শনিবার (০৬ ডিসেম্বর) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে স্থানীয় গণঅধিকার পরিষদের আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনে দলীয় প্রার্থী পরিচিতির লক্ষ্যেই জনসভার আয়োজন করা হয়। এ সময় তিনি জেলা গণঅধিকার পরিষদের সহসভাপতি নজরুল ইসলামকে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনের একক প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেন।
নুরুল হক নূর বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। নির্বাচন কমিশনও ১১ ডিসেম্বর তফসিল ঘোষণার জন্য প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। তবে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার গুরুতর অসুস্থতার কারণে বিশেষ কোনো পরিস্থিতি তৈরি হলে নির্বাচনের সময়সূচি কিছুটা পিছোতে পারে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। “তবে নির্বাচন ফেব্রুয়ারি হোক বা এপ্রিল—গণঅধিকার পরিষদ ৩০০ আসনেই প্রার্থী দেবে,” যোগ করেন তিনি।
কিছু রাজনৈতিক দলের স্বৈরাচারী আচরণের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “কিছু নেতাকে দেখা যাচ্ছে পুরোনো ফ্যাসিস্টদের মতো হুমকি-ধামকি ও আধিপত্য বিস্তারের রাজনীতি করতে। মনে রাখতে হবে—১৬ বছরের অপশাসন মুহূর্তেই ভেঙে পড়েছে। জনগণের শক্তির সামনে পালাতে হয়েছে অনেক নেতাকে। যারা জনগণের বিরুদ্ধে যাবে, তাদের পরিণতিও একই হবে।”
নবীনগর উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি মেহেদী হাসানের সভাপতিত্বে আয়োজিত জনসভায় আরও বক্তব্য দেন—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রঅধিকার পরিষদের সাবেক আহ্বায়ক সানাউল্লাহ হক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি আশরাফুল হাসান তপু, উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক, যুগ্ম সম্পাদক মো. কাইয়ূমসহ অন্যান্য স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।