রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:১৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম
War or Peace : The Entire World Looks to the Face of a Field Marshal* *—-Professor M A Barnik মাগুরায় সেলুনে আগে চুল কাটানোকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে! আহত-৬ *যুদ্ধ-না-শান্তি : এক ফিল্ড মার্শালের মুখের দিকে তাকিয়ে আছে সারাবিশ্ব* *—-অধ্যাপক এম এ বার্ণিক* *১. অস্থিরতার প্রেক্ষাপট— এক অগ্নিগোলকের পৃথিবী*: সময়ের এই অধ্যায়ে পৃথিবী যেন আগ্নেয়গিরির কিনারায় দাঁড়িয়ে— যেখানে প্রতিটি রাষ্ট্র, প্রতিটি জোট, প্রতিটি সিদ্ধান্ত একটি সম্ভাব্য বিস্ফোরণের পূর্বাভাস বহন করছে। যুক্তরাষ্ট্র-এর কৌশলগত আধিপত্য, ইসরায়েল-এর নিরাপত্তা-কেন্দ্রিক অবস্থান, ইরান-এর প্রতিরোধী মনোভাব— সব মিলিয়ে বিশ্ব এখন এক জটিল দ্বন্দ্বের গোলকধাঁধায় বন্দি। এই অস্থির সময়েই বিশ্বমানবতার দৃষ্টি গিয়ে থামে এক ব্যক্তির উপর— ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। *২. একজন মানুষের উত্থান*: সেনাপ্রধান থেকে বৈশ্বিক মধ্যস্থতাকারী ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির— নামটি এখন শুধু একটি দেশের সামরিক নেতৃত্বের প্রতীক নয়, বরং একটি সম্ভাব্য বৈশ্বিক সমাধানের কেন্দ্রবিন্দু। পাকিস্তান-এর সেনাপ্রধান হয়েও তিনি নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেননি। তিনি হয়ে উঠেছেন এক অদৃশ্য সেতু— যেখানে বিরোধী শক্তিগুলো অন্তত কথোপকথনের টেবিলে বসতে রাজি হয়। *৩. ব্যর্থতার ভেতর সম্ভাবনার বীজ*: গত ১১–১২ এপ্রিলের শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে— এটি নিঃসন্দেহে বাস্তবতা। কিন্তু এই ব্যর্থতা কি শেষ? নাকি এটি একটি বৃহত্তর সফলতার প্রস্তুতি? বিশ্লেষণ বলছে— এই প্রথম দফার আলোচনা ছিল অবস্থান যাচাইয়ের মঞ্চ। যুক্তরাষ্ট্র তার সীমা দেখিয়েছে, ইরান তার শর্ত স্পষ্ট করেছে, ইসরায়েল তার নিরাপত্তা-রেখা টেনে দিয়েছে। আর এই সবকিছুই ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির-এর জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ কৌশল তৈরির উপাদান হয়ে উঠেছে। *৪. কূটনৈতিক কৌশল– যুক্তির ছুরিতে শর্তের অবসান* তার সবচেয়ে বড় শক্তি— তিনি চাপ প্রয়োগ করেন না, তিনি পরিস্থিতিকে এমনভাবে সাজান, যাতে প্রতিপক্ষ নিজের অবস্থান থেকেই নরম হতে বাধ্য হয়। ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাজ্য— এই ইউরোপীয় শক্তিগুলোর সাথে তার সমঝোতা তৈরি করছে একটি সমর্থন কাঠামো। অন্যদিকে চীন ও রাশিয়া— তাদের সাথে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক তাকে দিয়েছে কৌশলগত গভীরতা। এই বহুমাত্রিক কূটনীতি তার প্রচেষ্টাকে করেছে বাস্তবসম্মত ও কার্যকর। ৫. সম্ভাবনার দিগন্ত: কেন সফল হতে পারেন? এখানেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন— ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির কি সত্যিই সফল হতে পারেন? বিশ্লেষণে কয়েকটি কারণ স্পষ্ট হয়ে ওঠে— (১) *নিরপেক্ষতার সুবিধা*: পাকিস্তান সরাসরি এই সংঘাতের মূল পক্ষ নয়, তাই তার মধ্যস্থতা তুলনামূলকভাবে গ্রহণযোগ্য। (২) *বহুমুখী সম্পর্ক*: পূর্ব ও পশ্চিম—দুই ব্লকের সাথেই যোগাযোগ রক্ষা করার সক্ষমতা তাকে একটি অনন্য অবস্থানে দাঁড় করিয়েছে। (৩) *সামরিক ও কূটনৈতিক ভারসাম্য*: তিনি শুধু কূটনীতিক নন, একজন সামরিক কৌশলবিদও— যা তাকে বাস্তবতার মাটিতে দাঁড়িয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে। (৪) *ব্যর্থতা থেকে শেখার সক্ষমতা*: প্রথম দফার ব্যর্থতা তাকে দুর্বল করেনি, বরং আরও প্রস্তুত করেছে। *৬. ঝুঁকি ও সীমাবদ্ধতা*: পথ এত সহজ নয়; তবে বাস্তবতা কঠিন— যুক্তরাষ্ট্র তার বৈশ্বিক প্রভাব ছাড়তে চাইবে না, ইরান নিরাপত্তা নিশ্চয়তা ছাড়া আপস করবে না, ইসরায়েল অস্তিত্বের প্রশ্নে আপসহীন। এই ত্রিমুখী জটিলতা যেকোনো উদ্যোগকেই ব্যর্থ করে দিতে পারে। *৭. বিশ্বমানবতার প্রত্যাশা ও শেষ আশ্রয়* আজ পৃথিবী এক অদ্ভুত বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে— যেখানে একটি মানুষের প্রচেষ্টাকে “শেষ আশার আলো” হিসেবে দেখা হচ্ছে। ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির সফল হলে— একটি নতুন শান্তির অধ্যায় শুরু হতে পারে। ব্যর্থ হলে— পারমাণবিক সংঘাতের সম্ভাবনা আর কল্পনা থাকবে না, তা হয়ে উঠতে পারে নির্মম বাস্তবতা। *৮. বিশ্ববর্বতার ধ্বংসস্তুপে একটি মানুষ দাঁড়িয়ে* ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন প্রশ্নগুলো সবসময় সহজ মানুষের কাছে আসে না— এসে পড়ে সেই মানুষের কাঁধে, যিনি তা বহন করতে সক্ষম। ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এখন সেই অবস্থানে— যেখানে তার প্রতিটি পদক্ষেপ মানবতার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে পারে। ধ্বংসস্তুপের মধ্যেই আজ যেন পৃথিবী অপেক্ষা করছে, পারমাণবিক অস্ত্রের বীভিষিকায় কী সব ধ্বংস হয়ে যাবে, নাকি পৃথিবী শান্তির পথে হাঁটবে? শান্তি অন্বেষার সেই প্রশ্নের সমাধানে ভার নিজের কাঁধে নিয়ে সাঁতারি যাচ্ছেন, বিপদগ্রস্ত মানুষের এক ত্রাণকর্তা, ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। শান্তির নিশান তাঁর হাতেই হয়তো পতপত করে উড়ার অপেক্ষায় আছে, আর অপেক্ষায় আছে বিশ্বের তাবৎ প্রাণীকুল ও মানবতা… মাগুরার শ্রীপুরে পাম্পে ড্রামে তেল দেওয়ার ভিডিও ধারণ,সাংবাদিককে মারধর করলো পুলিশ! উক্ত পুলিশ ক্লোজ! *ফিল্ড মার্শালের ইটে-ইটে গড়া শান্তির দেয়াল* *—-অধ্যাপক এম এ বার্ণিক* মাগুরায় জেলা পর্যায়ে ৩ দিনব্যাপী জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন মাগুরার খামারপাড়া এস এ আই সিনিয়র মাদ্রাসায় বিদায় সংর্বধণা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত মাগুরায় সুমন হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন! বিস্তারিত জানালেন পুলিশ সুপার মাগুরায় লক্ষাধিক শিশুকে হাম রুবেলার টিকা দেয়া হবে

বিএনপির প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকেই জনগণের শান্তি ও ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা লক্ষ্যে কাজ করে আসছে — আমিনুল হক

সংবাদদাতা / ২০৬ বার ভিউ
সময়ঃ রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:১৭ অপরাহ্ন

এ হাসান, স্টাফ রিপোর্টরঃ

  • বিএনপির প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকেই জনগণের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা লক্ষ্যে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন।
  • দেশ নেত্রী সাবেক প্রধান মন্ত্রী বেগম খালেদ জিয়া, তত্বাবধায়ক সরকার ব্যাবস্থা প্রবর্তন।
  • দেশ নায়ক জনাব তারেক রহমান লন্ডনের প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে দেখা করে আগামী নির্বাচন সহজ, সুন্দর, নিরোপক্ষ নিরাপদ অনুষ্ঠিত হওয়ার আহবান জানান।

রাজধানীর মিরপুরে পল্লবী থানায় রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ৪৪ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে ৬ নং সেকশন বাজার ব্যাবসায়ী পরিচালনা পর্ষদের আয়োজন করে দোয়া ও গরীবদের মাঝে খাবার বিতরণ। প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহবায়ক জনাব আমিনুল হক।

গত ১৯ জুন বৃহস্পতিবার দুপুর ২ টায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ৪৪ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে পল্লবী থানা ৬ নং সেকশন বাজার ব্যাবসায়ী পরিচালনা পর্ষদের আয়োজন করে দোয়া ও গরীবদের মাঝে খাবার বিতরণ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ক্রীড়া সম্পাদক, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহবায়ক, সাবেক বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবলের দলের অধিনায়ক, ঢাকা ১৬ আসনের বিএনপি, ধানের শীষ প্রতীক পদ প্রার্থী, জনাব আমিনুল হক, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ন – আহবায়ক জনাব মাহবুব আলম মন্টু।

এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আমিনুল হক বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের কৃষি ক্ষেত্রে বিপ্লব ঘটায়। এখনে আনেকই আছেন তারা তাঁর রাষ্ট্র পরিচালনা দেখছেন। তখন এখনে আনেকেরেই জন্ম হয়নি। তিনি দেশের পথে প্রান্তরে ঘুরে বেরিয়েছেন, গ্রাম গঞ্জের সাধারণ মানুষ সাথে নিয়ে খাল কাটার মাধ্যমে  বাংলাদেশকে খাদ্যের স্বয়ংসম্পূর্ণ করে গেছেন।

এসময় আমিনুল হক আরও বলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ একটি আধুনিক রাষ্ট্র গড়ার লক্ষ্য আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা, শিল্প বিপ্লব, গার্মেন্টস  শিল্প, আধুনিক স্থাপত্য শিল্প, আধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, অর্থব্যবস্থা, সামাজিক উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থা আধুনিকায়ন করেন। সর্বোপরি বাংলাদেশকে আধুনিক বাংলাদেশে গড়ে তুলেন। বাংলাদেশ একটি তোলা বিহীন ঝুড়ি থেকে একটি ইমাজিং টাইগারের দেশে এ রূপান্তরিত করেন তিনি।

আমিনুল হক বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান জনগণের সাথে নিয়ে তাদের মতামতের ভিত্তিতে আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার পরিকল্পনা গ্রহন করে এবং
পাশাপাশি বাংলাদেশে জনগণের অধিকার ফিরিয়ে দিতে, নির্বাচন ব্যাবস্থা ফিরিয়ে এনে, দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন করে। জনগণের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করে গেছেন। তাই এদেশের সাধারণ মানুষ সবসময় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কে শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করে।

আমিনুল হক বলেন, বিএনপি দেশের মানুষের শান্তি ও ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সকল সময় কাজ করে চলেছে। বিএনপির চেয়ারম্যান দেশ নেত্রী বেগম খালেদ জিয়া অজীবন সংগ্রাম, জেল জুলুম, নির্যাতন  সহ্য  করে সুশাসন নিশ্চিত করার কাজ করছেন। তিনি তত্বাবধায়ক সরকারের প্রর্বতন করেন।

আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশ নায়ক, তারুণ্যের অহংকার জনাব তারেক রহমান , বিগত ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার সরকারের জনগণ ভোট দিতে পারে নাই। ভোটের অধিকারের সংগ্রামে অংশ হিসেবে
লন্ডনের প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে নির্বাচন সহজ, সুন্দর, নিরোপক্ষ অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য কথা বলেন।
এসময় তিনি স্থানীয় মানুষদের কাছে এলাকার সন্তান হিসাবে আগামী নির্বাচনে ঢাকা ১৬ আসনে ধানের শীষের পক্ষে ভোট চান। এবং খাবার বিতরণ করেন

৬ নং ওয়ার্ড ঢাঃমঃউঃ পল্লবী থান বিএনপি’র  সভাপতি মোঃ ওয়াহিদুজ্জামান  ফরহাদ হোসেনেরসভাপতিত্বতে,ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ তপন এর সঞ্চালনায়  মোঃ শরিফ উদ্দিন হুজুর এর দোয়া পরিচালনয় আরও উপস্থিত ছিলেন  সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হেলাল, সার্বিক যুগ্ন- আহবায়ক সাইদুর রহমান, মোঃ এনায়েত,

অনুষ্ঠান পরিচালনা দায়িত্বে ছিলেন ৬ নং বাজার পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মোঃ জাকির হোসেন
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রূপনগর থানা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও যুগ্ন- আহবায়ক মোঃ আলমগীর হোসেন তালুকদার, সাবেক যুবদল পল্লবী থানা সিনিয়র সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম নাজ,
সাবেক বৃহত্তর ৬ নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক যুবনেতা (পল্লবী) মোঃ কামাল হোসেন
৬ নং ওয়ার্ড (আঞ্চলিক) বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ডাঃ আল হাসান মোবারক, সাবেক সাধারণ সম্পাদক লুৎফর আহাসান রনি, পল্লবী থানা ছাত্রদলের সভাপতি সোহেল, রূপনগর থানা ছাত্রদলের আহবায়ক মোঃ আরিফ সদস্য সচিব মেহেদী হাসান


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


[prayer_time pt="on" sc="on"]

*যুদ্ধ-না-শান্তি : এক ফিল্ড মার্শালের মুখের দিকে তাকিয়ে আছে সারাবিশ্ব* *—-অধ্যাপক এম এ বার্ণিক* *১. অস্থিরতার প্রেক্ষাপট— এক অগ্নিগোলকের পৃথিবী*: সময়ের এই অধ্যায়ে পৃথিবী যেন আগ্নেয়গিরির কিনারায় দাঁড়িয়ে— যেখানে প্রতিটি রাষ্ট্র, প্রতিটি জোট, প্রতিটি সিদ্ধান্ত একটি সম্ভাব্য বিস্ফোরণের পূর্বাভাস বহন করছে। যুক্তরাষ্ট্র-এর কৌশলগত আধিপত্য, ইসরায়েল-এর নিরাপত্তা-কেন্দ্রিক অবস্থান, ইরান-এর প্রতিরোধী মনোভাব— সব মিলিয়ে বিশ্ব এখন এক জটিল দ্বন্দ্বের গোলকধাঁধায় বন্দি। এই অস্থির সময়েই বিশ্বমানবতার দৃষ্টি গিয়ে থামে এক ব্যক্তির উপর— ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। *২. একজন মানুষের উত্থান*: সেনাপ্রধান থেকে বৈশ্বিক মধ্যস্থতাকারী ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির— নামটি এখন শুধু একটি দেশের সামরিক নেতৃত্বের প্রতীক নয়, বরং একটি সম্ভাব্য বৈশ্বিক সমাধানের কেন্দ্রবিন্দু। পাকিস্তান-এর সেনাপ্রধান হয়েও তিনি নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেননি। তিনি হয়ে উঠেছেন এক অদৃশ্য সেতু— যেখানে বিরোধী শক্তিগুলো অন্তত কথোপকথনের টেবিলে বসতে রাজি হয়। *৩. ব্যর্থতার ভেতর সম্ভাবনার বীজ*: গত ১১–১২ এপ্রিলের শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে— এটি নিঃসন্দেহে বাস্তবতা। কিন্তু এই ব্যর্থতা কি শেষ? নাকি এটি একটি বৃহত্তর সফলতার প্রস্তুতি? বিশ্লেষণ বলছে— এই প্রথম দফার আলোচনা ছিল অবস্থান যাচাইয়ের মঞ্চ। যুক্তরাষ্ট্র তার সীমা দেখিয়েছে, ইরান তার শর্ত স্পষ্ট করেছে, ইসরায়েল তার নিরাপত্তা-রেখা টেনে দিয়েছে। আর এই সবকিছুই ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির-এর জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ কৌশল তৈরির উপাদান হয়ে উঠেছে। *৪. কূটনৈতিক কৌশল– যুক্তির ছুরিতে শর্তের অবসান* তার সবচেয়ে বড় শক্তি— তিনি চাপ প্রয়োগ করেন না, তিনি পরিস্থিতিকে এমনভাবে সাজান, যাতে প্রতিপক্ষ নিজের অবস্থান থেকেই নরম হতে বাধ্য হয়। ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাজ্য— এই ইউরোপীয় শক্তিগুলোর সাথে তার সমঝোতা তৈরি করছে একটি সমর্থন কাঠামো। অন্যদিকে চীন ও রাশিয়া— তাদের সাথে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক তাকে দিয়েছে কৌশলগত গভীরতা। এই বহুমাত্রিক কূটনীতি তার প্রচেষ্টাকে করেছে বাস্তবসম্মত ও কার্যকর। ৫. সম্ভাবনার দিগন্ত: কেন সফল হতে পারেন? এখানেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন— ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির কি সত্যিই সফল হতে পারেন? বিশ্লেষণে কয়েকটি কারণ স্পষ্ট হয়ে ওঠে— (১) *নিরপেক্ষতার সুবিধা*: পাকিস্তান সরাসরি এই সংঘাতের মূল পক্ষ নয়, তাই তার মধ্যস্থতা তুলনামূলকভাবে গ্রহণযোগ্য। (২) *বহুমুখী সম্পর্ক*: পূর্ব ও পশ্চিম—দুই ব্লকের সাথেই যোগাযোগ রক্ষা করার সক্ষমতা তাকে একটি অনন্য অবস্থানে দাঁড় করিয়েছে। (৩) *সামরিক ও কূটনৈতিক ভারসাম্য*: তিনি শুধু কূটনীতিক নন, একজন সামরিক কৌশলবিদও— যা তাকে বাস্তবতার মাটিতে দাঁড়িয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে। (৪) *ব্যর্থতা থেকে শেখার সক্ষমতা*: প্রথম দফার ব্যর্থতা তাকে দুর্বল করেনি, বরং আরও প্রস্তুত করেছে। *৬. ঝুঁকি ও সীমাবদ্ধতা*: পথ এত সহজ নয়; তবে বাস্তবতা কঠিন— যুক্তরাষ্ট্র তার বৈশ্বিক প্রভাব ছাড়তে চাইবে না, ইরান নিরাপত্তা নিশ্চয়তা ছাড়া আপস করবে না, ইসরায়েল অস্তিত্বের প্রশ্নে আপসহীন। এই ত্রিমুখী জটিলতা যেকোনো উদ্যোগকেই ব্যর্থ করে দিতে পারে। *৭. বিশ্বমানবতার প্রত্যাশা ও শেষ আশ্রয়* আজ পৃথিবী এক অদ্ভুত বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে— যেখানে একটি মানুষের প্রচেষ্টাকে “শেষ আশার আলো” হিসেবে দেখা হচ্ছে। ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির সফল হলে— একটি নতুন শান্তির অধ্যায় শুরু হতে পারে। ব্যর্থ হলে— পারমাণবিক সংঘাতের সম্ভাবনা আর কল্পনা থাকবে না, তা হয়ে উঠতে পারে নির্মম বাস্তবতা। *৮. বিশ্ববর্বতার ধ্বংসস্তুপে একটি মানুষ দাঁড়িয়ে* ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন প্রশ্নগুলো সবসময় সহজ মানুষের কাছে আসে না— এসে পড়ে সেই মানুষের কাঁধে, যিনি তা বহন করতে সক্ষম। ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এখন সেই অবস্থানে— যেখানে তার প্রতিটি পদক্ষেপ মানবতার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে পারে। ধ্বংসস্তুপের মধ্যেই আজ যেন পৃথিবী অপেক্ষা করছে, পারমাণবিক অস্ত্রের বীভিষিকায় কী সব ধ্বংস হয়ে যাবে, নাকি পৃথিবী শান্তির পথে হাঁটবে? শান্তি অন্বেষার সেই প্রশ্নের সমাধানে ভার নিজের কাঁধে নিয়ে সাঁতারি যাচ্ছেন, বিপদগ্রস্ত মানুষের এক ত্রাণকর্তা, ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। শান্তির নিশান তাঁর হাতেই হয়তো পতপত করে উড়ার অপেক্ষায় আছে, আর অপেক্ষায় আছে বিশ্বের তাবৎ প্রাণীকুল ও মানবতা…