শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬, ০৯:৫০ অপরাহ্ন

শিরোনাম
ক্রীড়াঙ্গনে কাজের প্রস্তাব ফেনীর সেই শিক্ষিকাকে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে খোঁজ নিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী: ঈদের জামাতে হাজারো মুসল্লির সঙ্গে নামাজ আদায় করলেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বাউনিয়াবাদে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ২০০ পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা, পুনর্বাসনের আশ্বাস দিলেন আমিনুল হক মাগুরায় নতুন কুড়ি স্বর্ণপদক জয়ী অ্যাথলেট ইয়াসমিনকে শ্রীপুরে জমকালো সংবর্ধনা ধর্ষক জনতার হাতে আটক ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল নবীগঞ্জে ৩য় শ্রেণীর ছাত্রী ধর্ষিত মাগুরায় ট্রাক ড্রাইভারের হত্যার ঘটনায় পুলিশ সুপারের সংবাদ সম্মেলন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দৃষ্টি প্রতিবন্ধী সেই সংগীতশিল্পী পরিবারকে অর্থ সহায়তা দিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। মাগুরায় অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত মাগুরায় ব্যাংক লুটেরা এস আলমের প্রত্যাবর্তনের চক্রান্তের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সমাবেশঅনুষ্ঠিত

শরণখোলায় নদীভাঙন রূপ নিচ্ছে মহাবিপর্যয়ে: ঘরবাড়ি গাছপালা সব নদীতে!

সংবাদদাতা / ২৬২ বার ভিউ
সময়ঃ শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬, ০৯:৫০ অপরাহ্ন

আবু রায়হান,

স্টাফ রিপোর্টার-

বাগেরহাট জেলার উপকূলীয় উপজেলা শরণখোলায় ভয়াবহ নদীভাঙনের কারণে শতশত মানুষ নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। ভাঙনের তীব্রতায় ইতোমধ্যেই রিং বাঁধসহ শত বিঘা আবাদি জমি, বসতঘর, গাছপালা এবং স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়নের শরণখোলা বাজার থেকে তেড়াবেকা ও বগী এলাকা পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার রিং বাঁধ বিভিন্ন পয়েন্টে ধসে পড়ছে। নদীর পানি প্রতিনিয়ত ভাঙন সৃষ্টি করে নতুন নতুন এলাকা গ্রাস করছে।

ভুক্তভোগী মোঃ হালিম, মোঃ ইউসুফ, রহিমা বেগম ও জাহানারা বেগম জানান,
“আমাদের জমি-জমা, বসতঘর, গাছপালা সব নদীতে চলে গেছে। এখন পরিবার নিয়ে আতঙ্কে আছি, কখন আবার নদী আরও এগিয়ে আসে।”

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নদীভাঙন তীব্র রূপ নিলেও পানি উন্নয়ন বোর্ড কিংবা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্থায়ী কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। মাঝে মাঝে ভাঙনকবলিত অংশে সাময়িক সংস্কার কাজ হলেও তা কার্যকর হয়নি।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতারা বলেন,
“পরিস্থিতি এখন চরমে। দ্রুত টেকসই রিং বাঁধ নির্মাণ না হলে অচিরেই বিস্তীর্ণ জনপদ মানচিত্র থেকে মুছে যাবে।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুদীপ্ত কুমার সিংহ বলেন,
“বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার সহায়তায় পূর্বে যেভাবে সংস্কার করা হয়েছিল, এবারও প্রয়োজনে স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে রিং বাঁধ মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হবে।”

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে নদীগুলোর প্রবাহ ও তোড় আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী হচ্ছে। ফলে প্রতিবছর উপকূলীয় অঞ্চলের নদীবাঁধ ও জনপদ মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়ছে। সময়মতো টেকসই প্রতিরোধ ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে শরণখোলার মতো আরও অনেক জনপদ বিলীন হয়ে যেতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


[prayer_time pt="on" sc="on"]