সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৩৭ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা
রাজধানীর পল্লবী শিক্ষা থানার একমাত্র বাংলা মাধ্যম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এম এ লতিফ মেমোরিয়াল ইনস্টিটিউটে এসএসসি পরীক্ষায় কৃতিত্ব অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল ও পুরস্কার বিতরণ এবং প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৯ আগস্ট) সকাল ১০টা ও বিকেল ৩টায় পৃথক পর্বে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলায় উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পল্লবী থানার সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. জাহিদ হোসাইন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান এবং এম এ লতিফ মেমোরিয়াল ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা-প্রিন্সিপাল ড. এল এম কামরুজ্জামান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এরপর কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা এবং প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়।
এ বছর প্রতিষ্ঠানের এসএসসি পরীক্ষার্থীরা শতভাগ পাসের সাফল্য অর্জন করেছে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, বোর্ড কর্তৃক প্রকাশিত তালিকায় পল্লবী শিক্ষা থানার মধ্যে এম এ লতিফ মেমোরিয়াল ইনস্টিটিউট প্রথম অবস্থানে রয়েছে। এ সাফল্যে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক আনন্দ-উচ্ছ্বাস দেখা যায়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. জাহিদ হোসাইন কৃতী শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ভালো ফলাফল জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন। তবে এই সাফল্যকে কাজে লাগিয়ে শিক্ষার্থীদের সৎ, দক্ষ ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে। দেশ ও সমাজের কল্যাণে ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার জন্য তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান।
সভাপতির বক্তব্যে ড. এল এম কামরুজ্জামান বলেন, শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। ভবিষ্যতেও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা ও কর্মজীবনের জন্য প্রস্তুত করতে প্রতিষ্ঠানটি কাজ করে যাবে।
অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকা, বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
সবশেষে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। গান, নৃত্যসহ বিভিন্ন পরিবেশনায় অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও শতভাগ পাসের আনন্দে পুরো আয়োজনটি পরিণত হয় শিক্ষার্থী-শিক্ষক ও অভিভাবকদের মিলন উৎসবে।