রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ০১:২৭ পূর্বাহ্ন
হ্যাঁ ঠিকই শুনেছেন রামিসা আমাদের সন্তান, আমাদের সকলের উচিত এই বিকৃত রুচি শিশু ধর্ষণকারীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো। সংবিধানে এমন কোন আইন প্রণয়ন করা দরকার যে ধর্ষণকারীর শাস্তি হবে মৃত্যুদণ্ড লোক সম্মুখে। যাতে কোন অপরাধী দ্বিতীয়বার অপরাধ করার সাহস না পায় । মুসলিম দেশগুলিতে এই ধরনের অপরাধীদের শাস্তি ইয়ামেন জনসম্মুখে গুলি করে হত্যা।

সৌদি আরবে শিরচ্ছেদ বা মাথা দ্বিখণ্ডিত , ইরাকে পাথর নিক্ষেফের মাধ্যমে মৃত্যু নিশ্চিত করে, অথচ বাংলাদেশে আইনের ফাক -ফকর দিয়ে আসামি জামিনে খালাস পেয়ে যায়এজন্য দায়ী এজন্য কিছু অর্থলিপসু আইনজীবী মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে আদালতে সত্যকে মিথ্যা, যুক্তি প্রমাণ দিয়ে আসামিদের মৃত্যুদণ্ড থেকে বেকসুর খালাস করে দেন । সচেতন মহল ধিক্কার জানায় অর্থ লিপ্সু আইনজীবীদের যে সামান্য অর্থের বিনিময় নিজের নীতি নৈতিকতা কে বিসর্জন নিজেদের স্বার্থ হাসিল করে । তবে রামিশার ক্ষেত্রে যদি কোন আইনজীবী আসামিপক্ষের হয়ে কোর্টে উঠেন তাহলে ছাড় দেবে না জনতা তাহলে ঘটে যাবে আর একটি ২৬ শে জুলাই । ভবিষ্যতে যেন একটি শিশু ও এই ধরনের যৌন লালসার শিকার না হন। সকল পেশা শ্রেণির মানুষ এক হয়ে আওয়াজ তুলেছে রামিশা হত্যাকারীর ফাঁসি চাই।রাষ্ট্রীয় ভাবে আমাদের সকল শিশু সন্তানদের নিরাপত্তা চাই। আগামী ৯০ দিনের মধ্যে জনসম্মুখে রামিশা খুনির ফাঁসি চাই।
বিল্লাল হোসেন পাটোয়ারী বাহার
বিশেষ প্রতিনিধ মিরপুর ঢাকা