শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৩ পূর্বাহ্ন
বিল্লাল হোসেন বাহার
চাঁদপুর থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী ৭২৯ নম্বর এবং চট্টগ্রাম থেকে চাঁদপুর অভিমুখী ৭৩০ নম্বর মেঘনা এক্সপ্রেস ট্রেনের সেবা ও অভ্যন্তরীণ পরিবেশ নিয়ে যাত্রীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রী এই ট্রেনে যাতায়াত করলেও ট্রেনটির বগিগুলোর ভেতরের অবস্থা দিন দিন বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়ছে।
সম্প্রতি ট্রেনের ভেতরের একটি চিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যা রেলওয়ের রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থার কঙ্কালসার রূপকে ফুটিয়ে তুলেছে।
সরেজমিনে এবং যাত্রীদের পাঠানো ছবিতে দেখা যায়, ট্রেনের ছাদের ফ্যানগুলোর অবস্থা অত্যন্ত জরাজীর্ণ। ফ্যানের ওপর জমে আছে বছরের পর বছর ধরে পরিষ্কার না করা পুরু ধুলোবালির আস্তরণ। যাত্রীদের অভিযোগ, ট্রেনের এই ফ্যানগুলো চলে না বললেই চলে। প্রচণ্ড গরমে যখন ট্রেনের ভেতরে দমবন্ধ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, তখনও এই ফ্যানগুলো অকেজো হয়ে ঝুলে থাকে। নোংরা ও ধূলিমলিন এই পরিবেশের কারণে সাধারণ যাত্রীরা, বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা চরম স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে পড়ছেন।
যাত্রীদের অভিযোগ, নিয়মিত ভাড়া বাড়লেও সেবার মান তো বাড়েইনি, বরং সাধারণ ন্যূনতম সুযোগ-সুবিধা থেকেও তারা বঞ্চিত হচ্ছেন। ৭২৯ ও ৭৩০ নম্বর ট্রেনের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ রুটের আন্তঃনগর যানের এমন বেহাল দশা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
রেল কর্তৃপক্ষের উচিত অবিলম্বে এই রুটের ট্রেনের দিকে নজর দেওয়া। প্রতিটি বগির ফ্যানগুলো মেরামত বা পরিবর্তন করা এবং ট্রেনের ভেতরের সামগ্রিক পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। যাত্রীদের দুর্ভোগ লাঘবে রেলওয়ে প্রশাসন দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে—এমনটাই প্রত্যাশা সাধারণ জনগণের।মেঘনা এক্সপ্রেসের বেহাল দশা: ধুলোজমা অকেজো ফ্যানে যাত্রীদের চরম ভোগান্তি
উপশিরোনাম:
চাঁদপুর–চট্টগ্রাম রুটে ৭২৯ ও ৭৩০ নম্বর ট্রেনে সেবার মান নিয়ে ক্ষোভ, দ্রুত পদক্ষেপের দাবি
নিজস্ব প্রতিবেদক | চাঁদপুর
চাঁদপুর–চট্টগ্রাম রুটে চলাচলকারী মেঘনা এক্সপ্রেস ট্রেনের সেবা ও অভ্যন্তরীণ পরিবেশ নিয়ে যাত্রীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। চাঁদপুর থেকে চট্টগ্রামগামী ৭২৯ নম্বর এবং চট্টগ্রাম থেকে চাঁদপুরগামী ৭৩০ নম্বর ট্রেনে প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রী যাতায়াত করেন। অথচ ট্রেনটির বগিগুলোর ভেতরের অবস্থা দিন দিন বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়ছে। সম্প্রতি ট্রেনের ভেতরের একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যা রেলওয়ের রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থার করুণ চিত্র তুলে ধরেছে।
সরেজমিনে এবং যাত্রীদের পাঠানো ছবিতে দেখা যায়, ট্রেনের ছাদের ফ্যানগুলো অত্যন্ত জরাজীর্ণ। ফ্যানের ওপর বছরের পর বছর ধরে অপরিষ্কার থাকা পুরু ধুলোর আস্তরণ জমে আছে। যাত্রীদের অভিযোগ, এসব ফ্যান প্রায় চলেই না। প্রচণ্ড গরমে বগির ভেতরে দমবন্ধ অবস্থা তৈরি হলেও ফ্যানগুলো অকেজো হয়ে ঝুলে থাকে। নোংরা ও ধূলিমলিন এই পরিবেশে সাধারণ যাত্রী, বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা চরম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন।
যাত্রীদের ভাষ্য, নিয়মিত ভাড়া বাড়লেও সেবার মান বাড়েনি; উল্টো ন্যূনতম সুযোগ-সুবিধা থেকেও তাঁরা বঞ্চিত হচ্ছেন। একটি গুরুত্বপূর্ণ রুটের আন্তঃনগর ট্রেনের এমন বেহাল দশা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না বলে মনে করছেন তাঁরা।
যাত্রীদের দাবি, রেল কর্তৃপক্ষ অবিলম্বে এই রুটের ট্রেনগুলোর প্রতি নজর দিক। প্রতিটি বগির ফ্যান মেরামত বা প্রয়োজনে পরিবর্তন করা এবং ট্রেনের অভ্যন্তরের সার্বিক পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। যাত্রীদুর্ভোগ লাঘবে রেলওয়ে প্রশাসন দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবে—এমনটাই প্রত্যাশা সাধারণ মানুষের।