মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন
আলো ডিজিটাল নিউজ
প্যারলে মুক্তি পেয়ে, পুলিশ হাসপাতাল থেকে ব্যাংককে নিজে বাড়িতে ফিরেছেন থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রা। ১৫ বছরের স্বেচ্ছা নির্বাসন ভেঙে গত বছর অগাস্টে দেশে আসেন ধনকুবের এই রাজনীতিবিদ। দেশে ফেরার পরপরই তাকে গ্রেপ্তার কার হয় এবং দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের দায়ে তাকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। আবার ৬ মাসের মাথায় তার এই মুক্তি।

১৮ ফেব্রুয়ারী ২৪ রোববার ভোরে দেশটির পুলিশ হাসপাতাল থেকে মুক্তি পেয়ে রাজধানী ব্যাংক এর নিজের বাসভবনে যান।
থাকসিন সিনাওয়াত্রা থাইল্যান্ডের দুইবারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে।
২০০৬ সালে এক সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত হয়েছিলেন তিনি গত বছরের আগস্টে মাসপ দেশে ১৫ বছর পর ফিরে এলে গ্রেফতরা হন এবং ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির কারণে তার আট বছরের কারাদণ্ড দেয় আদালত ।
এদিকে দেশে ফেরার কয়েক দিনের মাথায় থাইল্যান্ডের রাজা মাহা ভাজিরালংকর্ন তার শাস্তি কমিয়ে দেন এবং সাজা এক বছর করেন।
গত সপ্তাহে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয় ৭৪ বছর বয়সী থাকসিন সিনাওয়াত্রা তার স্বাস্থ্য ও বয়সের কারণে কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই মুক্তি দেওয়া হবে।
তারই ধারাবাহিকতায় ১৮ ফেব্রুয়ারি২০২৪ রোববার ভোরে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মুক্তি পাবার পর থাকসিন সিনাওয়াত্রা তার দুই মেয়ে পায়েতংতার্ন ও পিনতংতার সাথে বাড়িতে ফিরে আসেন।
এই মুক্তিতে বেশ কিছু লোকজনকে হাসপাতালের বাইরে মুক্তির দেওয়ায় প্রতিবাদ করতে দেখা যায়।
তার মুক্তির বিষয়ে বিস্তারিত জানা যায় নাই তবে তিনি নজরদারিতে থাকবেন এবং পাশাপাশি তার চলাফেরায় থাকবে বিধিনিষেধ।
গত বছর থাকসিন সিনাওয়াত্রা দেশে ফিরে আসার দিনেই তার দল পিউ থাই পার্টি সেনা সমর্থিত দলের সঙ্গে জোট গঠন করে ক্ষমতায় ফিরে আসেন। ওই সময় থেকেই গুনজন উঠেছিল, তার কারাদণ্ডের মেয়াদ কমিয়ে আনার নেপথ্যে সমঝোতা হয়েছে।
থাকসিন সিনাওয়াত্রা বুকের সমস্যা ও উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভুগছিলেন এই সমস্যা নিয়েই তিনি হাসপাতালে গিয়েছিলেন। এবং কয়েক মাসে তার দুটি অস্ত্রোপচার করা হয় বলে জানান পরিবার।