মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৩০ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
নোয়াখালী-১ আসনে ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকনের বিজয়ে সুশীল ফোরামের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন রাজউক কর্মকর্তা গ্রেফতার: নারী সাংবাদিক হেনস্তা ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে মামলা মাগুরায় সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের স্টেক হোল্ডার বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত মাগুরায় সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের স্টেক হোল্ডার বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত মাগুরায় জামায়াতের উদ্যোগে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ অনুষ্ঠিত Without Classrooms, Education Remains Incomplete* *—-Professor M A Barnik শ্রেণিকক্ষের দরজা বন্ধ করে দিয়ে প্রকৃত মানুষ তৈরি অসম্ভব* *—–অধ্যাপক এম এ বার্ণিক* A Voice of Principle in Parliament Barrister Nowshad Zamir—Professor M. A. Barnik ব্যারিস্টার নওশাদ জমিরের এক নতুন রাজনৈতিক বার্তা –অধ্যাপক এম এ বার্ণিক*

দুর্গন্ধময় নোংরা আবর্জনা পরিষ্কার করছেন কিছু পরিচ্ছন্নতাকর্মী। পরিবেশ প্রতিবেশ রক্ষায় অনুকরণীয় একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ

সংবাদদাতা / ১১০ বার ভিউ
সময়ঃ মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৩০ পূর্বাহ্ন

সাভার ঢাকা।

১৭ মার্চ ২০২৫।—- উপরের ছবিটি ঢাকার অনতিদূরে সাভার ডিওএইচএস থেকে তোলা হয়েছে । একটি দুর্গন্ধময় নোংরা আবর্জনা পরিষ্কার করছেন কিছু পরিচ্ছন্নতাকর্মী। পরিবেশ প্রতিবেশ রক্ষায় অনুকরণীয় একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ।

গতকাল ১৬ মার্চের একটি ঘটনা।
এধরণের অনুকরণীয় ঘটনার নেপথ্যে কথাও অনুকরণীয় অনুভূতি জাগায়। এখানেই সাভার DOHS-এর ২ নম্বর সড়কে ৪১ নম্বর বাড়ি। নাম নীলিম-৭১। এখানে গড়ে ওঠেছে “Building Owners’ Association, Neelima-71” সংক্ষেপে BOAN(বোয়ান)। এটির কর্ণধার সেনাসদরের মেজর জেনারেল আবু বকর সিদ্দিক। এই সংগঠনে যুক্ত আছেন বাঙ্গালি এম এ বার্ণিক নামে এদেশের সুপরিচিত মুখ গোয়েন্দা সংস্থা DGFI-এর অবসরগামী সিনিয়র কর্মকর্তা মোবাশ্বের আহমদ (বার্ণিক)।

উক্ত কমিটির নির্মোহ সদস্যগণের একজন হলেন জনাব জাহিদুল ইসলাম। সিনিয়রদের অনুপ্রেরণায় আত্মনিবেদিতপ্রাণ। সোৎসাহে এগিয়ে যান একটার পর একটা জনহিতকর কাজে। এটি তেমনই একটি জনহিতকর কাজ।
জনাব জাহিদুল ইসলাম দেখতে পান যে, নীলিমা-৭১ ভবনের সামনে রাস্তার ড্রেন আবর্জনায় বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়ে পড়েছে। ভুক্তভোগীরা সয়ে যান, কিন্তু প্রতিকার চেয়েও পাননা। এক পর্যায়ে দুর্গন্ধযুক্ত পানি রাস্তা ভরে যায়। ফলে এলাকার বাসিন্দা ও পথচারীদের স্বাভাবিক চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।
এমতাবস্থায় তিনি কমিটির সিনিয়রদের সঙ্গে পরামর্শ করে ডিওএইচএস পরিষদের সঙ্গে কথা বলেন। একবার নয়, বারবার। এভাবেই শুরু হয় পরিচ্ছন্ন অভিযান। দুর্গন্ধমুক্ত এক ভয়াল পরিবেশ থেকে মুক্তি পেয়ে এলাকাবাসী হাফ ছেড়ে বাঁচেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


[prayer_time pt="on" sc="on"]