শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
আজকের মেধাবী শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের সমৃদ্ধ – মাগুরায় কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নূরুল ইসলাম সাদ্দাম Macca Defence Pact: A Severe Setback to India’s Strategic Calculations* *— Professor MA Barnik *মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি : ভারতের স্ট্র্যাটেজিক হিসাব-নিকাশে বড় ধরনের ধাক্কা— অধ্যাপক এম এ বার্ণিক মাগুরার শ্রীপুরে বিদ্যুতায়িত হয়ে এক যুবকের মৃত্যু, আহত আরো -২জন চাটমোহরে তেল-জেলিতে তৈরি হচ্ছিল নকল দুধ, ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড ও জরিমানা The Mecca Defence Pact: India’s Concerns, the Positions of Major Powers, and Bangladesh’s Potential Gains and Losses* *–Professor M. A. Barnik মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি: ভারতের উদ্বেগ, পরাশক্তিদের অবস্থান এবং বাংলাদেশের সম্ভাব্য লাভ-ক্ষতি* *—অধ্যাপক এম এ বার্ণিক* কেন্দ্রীয় যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি পলের রোগমুক্তিতে এস. আলম ইসরাৎ এর উদ্যোগে দোয়া আন্দালিব রহমান পার্থকে তথ্যমন্ত্রী করায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দকে মিষ্টিমুখ করালো বিজেপি ভাষা সৈনিক অজিত গুহ মহাবিদ্যালয়ে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা:) উদযাপন

দেবিদ্বারে রসুলপুর বাজারসংলগ্ন ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজে বাঁশ ঠেকিয়ে চলাচল, যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা

সংবাদদাতা / ২৮৮ বার ভিউ
সময়ঃ শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন

ইব্রাহীম খলিল, দেবিদ্বার (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:

কুমিল্লার দেবিদ্বারের রসুলপুর বাজারসংলগ্ন ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরে অবহেলা ও সংস্কারের অভাবে এখন মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। ভাঙা স্ল্যাব, নড়বড়ে রেলিং এবং দুর্বল কাঠামোকে অস্থায়ীভাবে বাঁশ দিয়ে ঠেকিয়ে রেখে চলছে এলাকার মানুষের প্রতিদিনের চলাচল। সাম্প্রতিক একটি ছবিতে দেখা যায়—স্থানীয় কয়েকজন স্বেচ্ছায় ব্রিজের ভেঙে ঝুলে থাকা অংশে বাঁশ দাঁড় করিয়ে সেটিকে টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করছেন। এই পরিস্থিতি এখন এলাকাবাসীর জন্য আতঙ্কের অন্যতম উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে।

রসুলপুর বাজার ও আশপাশের গ্রামগুলোর মানুষের প্রধান যোগাযোগ মাধ্যম এই ব্রিজটি। প্রতিদিন হাজারো শ্রমজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী, দোকানদার ও পথচারী এই ব্রিজ দিয়ে যাতায়াত করেন। কিন্তু ব্রিজের বেহাল অবস্থার কারণে তাদের প্রতিদিনই ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। নড়বড়ে ব্রিজের ওপর দিয়ে হাঁটার সময় দুলুনি অনুভব করা যায়; ফলে ভয়ে মানুষ দ্রুতগতিতে পার হতে চান। স্থানীয়দের অভিযোগ—বৃষ্টি হলেই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। স্ল্যাব পিচ্ছিল হয়ে পড়ে, ভাঙা অংশগুলো দিয়ে পানি ঝরে পড়ে এবং ছোটখাটো দুর্ঘটনা প্রায়ই ঘটে।

এলাকার কলেজছাত্র রাশেদ বলেন, “আমরা প্রতিদিন স্কুল-কলেজে যাই এই ব্রিজ দিয়ে। এমন নড়বড়ে অবস্থায় যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।” বাজারের এক ব্যবসায়ী জানান, “ব্রিজটা আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। অথচ বছরের পর বছর এটাকে সংস্কার না করে ফেলে রাখা হয়েছে। বাধ্য হয়ে স্থানীয়রাই বাঁশ দিয়ে ঠেকিয়ে এখনো চলাচল চালাচ্ছেন।”

শুধু পথচারী নয়—বাজারে পণ্য আনা–নেওয়ার জন্য ছোট যানবাহনও নিয়মিত এই ব্রিজ ব্যবহার করে। এতে ঝুঁকি আরও বেড়েছে। অটোরিকশাচালকরা জানান, যাত্রীদের প্রয়োজনে তাদের এই পথ দিয়ে যাতায়াত করতেই হয়, কিন্তু ব্রিজের ওপর দিয়ে গাড়ি নিয়ে যেতে তাদের প্রতিবারই ভয় লাগে।

এলাকাবাসীরা বলেন—বহুবার সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বিষয়টি জানানো হলেও এখনো পর্যন্ত কোনো সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তারা মনে করছেন, প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে যে কোনো সময় বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারে। জরুরি ভিত্তিতে ব্রিজটির সংস্কার করে মানুষের নিরাপদ চলাচলের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


[prayer_time pt="on" sc="on"]