রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ১২:২০ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
War or Peace : The Entire World Looks to the Face of a Field Marshal* *—-Professor M A Barnik মাগুরায় সেলুনে আগে চুল কাটানোকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে! আহত-৬ *যুদ্ধ-না-শান্তি : এক ফিল্ড মার্শালের মুখের দিকে তাকিয়ে আছে সারাবিশ্ব* *—-অধ্যাপক এম এ বার্ণিক* *১. অস্থিরতার প্রেক্ষাপট— এক অগ্নিগোলকের পৃথিবী*: সময়ের এই অধ্যায়ে পৃথিবী যেন আগ্নেয়গিরির কিনারায় দাঁড়িয়ে— যেখানে প্রতিটি রাষ্ট্র, প্রতিটি জোট, প্রতিটি সিদ্ধান্ত একটি সম্ভাব্য বিস্ফোরণের পূর্বাভাস বহন করছে। যুক্তরাষ্ট্র-এর কৌশলগত আধিপত্য, ইসরায়েল-এর নিরাপত্তা-কেন্দ্রিক অবস্থান, ইরান-এর প্রতিরোধী মনোভাব— সব মিলিয়ে বিশ্ব এখন এক জটিল দ্বন্দ্বের গোলকধাঁধায় বন্দি। এই অস্থির সময়েই বিশ্বমানবতার দৃষ্টি গিয়ে থামে এক ব্যক্তির উপর— ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। *২. একজন মানুষের উত্থান*: সেনাপ্রধান থেকে বৈশ্বিক মধ্যস্থতাকারী ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির— নামটি এখন শুধু একটি দেশের সামরিক নেতৃত্বের প্রতীক নয়, বরং একটি সম্ভাব্য বৈশ্বিক সমাধানের কেন্দ্রবিন্দু। পাকিস্তান-এর সেনাপ্রধান হয়েও তিনি নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেননি। তিনি হয়ে উঠেছেন এক অদৃশ্য সেতু— যেখানে বিরোধী শক্তিগুলো অন্তত কথোপকথনের টেবিলে বসতে রাজি হয়। *৩. ব্যর্থতার ভেতর সম্ভাবনার বীজ*: গত ১১–১২ এপ্রিলের শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে— এটি নিঃসন্দেহে বাস্তবতা। কিন্তু এই ব্যর্থতা কি শেষ? নাকি এটি একটি বৃহত্তর সফলতার প্রস্তুতি? বিশ্লেষণ বলছে— এই প্রথম দফার আলোচনা ছিল অবস্থান যাচাইয়ের মঞ্চ। যুক্তরাষ্ট্র তার সীমা দেখিয়েছে, ইরান তার শর্ত স্পষ্ট করেছে, ইসরায়েল তার নিরাপত্তা-রেখা টেনে দিয়েছে। আর এই সবকিছুই ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির-এর জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ কৌশল তৈরির উপাদান হয়ে উঠেছে। *৪. কূটনৈতিক কৌশল– যুক্তির ছুরিতে শর্তের অবসান* তার সবচেয়ে বড় শক্তি— তিনি চাপ প্রয়োগ করেন না, তিনি পরিস্থিতিকে এমনভাবে সাজান, যাতে প্রতিপক্ষ নিজের অবস্থান থেকেই নরম হতে বাধ্য হয়। ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাজ্য— এই ইউরোপীয় শক্তিগুলোর সাথে তার সমঝোতা তৈরি করছে একটি সমর্থন কাঠামো। অন্যদিকে চীন ও রাশিয়া— তাদের সাথে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক তাকে দিয়েছে কৌশলগত গভীরতা। এই বহুমাত্রিক কূটনীতি তার প্রচেষ্টাকে করেছে বাস্তবসম্মত ও কার্যকর। ৫. সম্ভাবনার দিগন্ত: কেন সফল হতে পারেন? এখানেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন— ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির কি সত্যিই সফল হতে পারেন? বিশ্লেষণে কয়েকটি কারণ স্পষ্ট হয়ে ওঠে— (১) *নিরপেক্ষতার সুবিধা*: পাকিস্তান সরাসরি এই সংঘাতের মূল পক্ষ নয়, তাই তার মধ্যস্থতা তুলনামূলকভাবে গ্রহণযোগ্য। (২) *বহুমুখী সম্পর্ক*: পূর্ব ও পশ্চিম—দুই ব্লকের সাথেই যোগাযোগ রক্ষা করার সক্ষমতা তাকে একটি অনন্য অবস্থানে দাঁড় করিয়েছে। (৩) *সামরিক ও কূটনৈতিক ভারসাম্য*: তিনি শুধু কূটনীতিক নন, একজন সামরিক কৌশলবিদও— যা তাকে বাস্তবতার মাটিতে দাঁড়িয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে। (৪) *ব্যর্থতা থেকে শেখার সক্ষমতা*: প্রথম দফার ব্যর্থতা তাকে দুর্বল করেনি, বরং আরও প্রস্তুত করেছে। *৬. ঝুঁকি ও সীমাবদ্ধতা*: পথ এত সহজ নয়; তবে বাস্তবতা কঠিন— যুক্তরাষ্ট্র তার বৈশ্বিক প্রভাব ছাড়তে চাইবে না, ইরান নিরাপত্তা নিশ্চয়তা ছাড়া আপস করবে না, ইসরায়েল অস্তিত্বের প্রশ্নে আপসহীন। এই ত্রিমুখী জটিলতা যেকোনো উদ্যোগকেই ব্যর্থ করে দিতে পারে। *৭. বিশ্বমানবতার প্রত্যাশা ও শেষ আশ্রয়* আজ পৃথিবী এক অদ্ভুত বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে— যেখানে একটি মানুষের প্রচেষ্টাকে “শেষ আশার আলো” হিসেবে দেখা হচ্ছে। ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির সফল হলে— একটি নতুন শান্তির অধ্যায় শুরু হতে পারে। ব্যর্থ হলে— পারমাণবিক সংঘাতের সম্ভাবনা আর কল্পনা থাকবে না, তা হয়ে উঠতে পারে নির্মম বাস্তবতা। *৮. বিশ্ববর্বতার ধ্বংসস্তুপে একটি মানুষ দাঁড়িয়ে* ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন প্রশ্নগুলো সবসময় সহজ মানুষের কাছে আসে না— এসে পড়ে সেই মানুষের কাঁধে, যিনি তা বহন করতে সক্ষম। ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এখন সেই অবস্থানে— যেখানে তার প্রতিটি পদক্ষেপ মানবতার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে পারে। ধ্বংসস্তুপের মধ্যেই আজ যেন পৃথিবী অপেক্ষা করছে, পারমাণবিক অস্ত্রের বীভিষিকায় কী সব ধ্বংস হয়ে যাবে, নাকি পৃথিবী শান্তির পথে হাঁটবে? শান্তি অন্বেষার সেই প্রশ্নের সমাধানে ভার নিজের কাঁধে নিয়ে সাঁতারি যাচ্ছেন, বিপদগ্রস্ত মানুষের এক ত্রাণকর্তা, ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। শান্তির নিশান তাঁর হাতেই হয়তো পতপত করে উড়ার অপেক্ষায় আছে, আর অপেক্ষায় আছে বিশ্বের তাবৎ প্রাণীকুল ও মানবতা… মাগুরার শ্রীপুরে পাম্পে ড্রামে তেল দেওয়ার ভিডিও ধারণ,সাংবাদিককে মারধর করলো পুলিশ! উক্ত পুলিশ ক্লোজ! *ফিল্ড মার্শালের ইটে-ইটে গড়া শান্তির দেয়াল* *—-অধ্যাপক এম এ বার্ণিক* মাগুরায় জেলা পর্যায়ে ৩ দিনব্যাপী জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন মাগুরার খামারপাড়া এস এ আই সিনিয়র মাদ্রাসায় বিদায় সংর্বধণা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত মাগুরায় সুমন হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন! বিস্তারিত জানালেন পুলিশ সুপার মাগুরায় লক্ষাধিক শিশুকে হাম রুবেলার টিকা দেয়া হবে
/ অন্যান্য
মাগুরা থেকে মোঃ সাইফুল্লাহ: মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার আমলসার ইউনিয়নের কোদলা মাঝিপাড়া এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় একরের পর একর ফসলি জমি,গাছপালা গড়াই নদীর গর্ভে বিলিন হচ্ছে। গত তিন বছরে নদী ভাঙনের কবলে আরো পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক গোদাগাড়ী রাজশাহী: রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে রেজাউল করিম সভাপতি এবং শামসুল ইসলাম সাধারণ সম্পাদক নির্বচিত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত
মোঃ সাইফুল্লাহ: মাগুরায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর মাগুরা জেলা কার্যালয় শ্রীপুর উপজেলার লাঙ্গলবাঁধ বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালিত করে ৩ প্রতিষ্ঠানকে বিভিন্ন অপরাধে ২৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। সোমবার (১৫
নিজস্ব প্রতিবেদক গোদাগাড়ী রাজশাহী :- সমতল ভূমিতে বসবাসরত অনগ্রসর ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির আর্থ-সামাজিক ও জীবন মানোন্নয়নের জন্য সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় উন্নত জাতের ছাগল ও ছাগলের গৃহ নির্মান সামগ্রী বিতরণ
নিজস্ব প্রতিনিধি : উৎসবমুখর পরিবেশে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হলো রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের ৪র্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ৫ম বর্ষে পদার্পণ। সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে শিরোইল বাস টার্মিনাল এলাকায় প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণ
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশ উইমেন জার্নালিস্ট ফোরামের দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়, সাধারণ সভায় নতুন কমিটি নির্বাচিত হয়েছেন, সভাপতি ফাহমিদা আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক লাবিন রহমান। আজ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ইং শনিবার
শ্রীপুর (মাগুরা) সংবাদদাতাঃ মাগুরা শহরের একতা কাঁচা বাজার এলাকায় যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় ফজলুর রহমান (৭০) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তার বাড়ি শহরের পিটিআই পাড়া এলাকায়। তিনি অবসরপ্রাপ্ত জেল পুলিশ
ইব্রাহীম খলিল, নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে দিনব্যাপী জনসচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) উপজেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের যৌথ উদ্যোগে নবীনগর মহিলা কলেজ

[prayer_time pt="on" sc="on"]

*যুদ্ধ-না-শান্তি : এক ফিল্ড মার্শালের মুখের দিকে তাকিয়ে আছে সারাবিশ্ব* *—-অধ্যাপক এম এ বার্ণিক* *১. অস্থিরতার প্রেক্ষাপট— এক অগ্নিগোলকের পৃথিবী*: সময়ের এই অধ্যায়ে পৃথিবী যেন আগ্নেয়গিরির কিনারায় দাঁড়িয়ে— যেখানে প্রতিটি রাষ্ট্র, প্রতিটি জোট, প্রতিটি সিদ্ধান্ত একটি সম্ভাব্য বিস্ফোরণের পূর্বাভাস বহন করছে। যুক্তরাষ্ট্র-এর কৌশলগত আধিপত্য, ইসরায়েল-এর নিরাপত্তা-কেন্দ্রিক অবস্থান, ইরান-এর প্রতিরোধী মনোভাব— সব মিলিয়ে বিশ্ব এখন এক জটিল দ্বন্দ্বের গোলকধাঁধায় বন্দি। এই অস্থির সময়েই বিশ্বমানবতার দৃষ্টি গিয়ে থামে এক ব্যক্তির উপর— ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। *২. একজন মানুষের উত্থান*: সেনাপ্রধান থেকে বৈশ্বিক মধ্যস্থতাকারী ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির— নামটি এখন শুধু একটি দেশের সামরিক নেতৃত্বের প্রতীক নয়, বরং একটি সম্ভাব্য বৈশ্বিক সমাধানের কেন্দ্রবিন্দু। পাকিস্তান-এর সেনাপ্রধান হয়েও তিনি নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেননি। তিনি হয়ে উঠেছেন এক অদৃশ্য সেতু— যেখানে বিরোধী শক্তিগুলো অন্তত কথোপকথনের টেবিলে বসতে রাজি হয়। *৩. ব্যর্থতার ভেতর সম্ভাবনার বীজ*: গত ১১–১২ এপ্রিলের শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে— এটি নিঃসন্দেহে বাস্তবতা। কিন্তু এই ব্যর্থতা কি শেষ? নাকি এটি একটি বৃহত্তর সফলতার প্রস্তুতি? বিশ্লেষণ বলছে— এই প্রথম দফার আলোচনা ছিল অবস্থান যাচাইয়ের মঞ্চ। যুক্তরাষ্ট্র তার সীমা দেখিয়েছে, ইরান তার শর্ত স্পষ্ট করেছে, ইসরায়েল তার নিরাপত্তা-রেখা টেনে দিয়েছে। আর এই সবকিছুই ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির-এর জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ কৌশল তৈরির উপাদান হয়ে উঠেছে। *৪. কূটনৈতিক কৌশল– যুক্তির ছুরিতে শর্তের অবসান* তার সবচেয়ে বড় শক্তি— তিনি চাপ প্রয়োগ করেন না, তিনি পরিস্থিতিকে এমনভাবে সাজান, যাতে প্রতিপক্ষ নিজের অবস্থান থেকেই নরম হতে বাধ্য হয়। ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাজ্য— এই ইউরোপীয় শক্তিগুলোর সাথে তার সমঝোতা তৈরি করছে একটি সমর্থন কাঠামো। অন্যদিকে চীন ও রাশিয়া— তাদের সাথে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক তাকে দিয়েছে কৌশলগত গভীরতা। এই বহুমাত্রিক কূটনীতি তার প্রচেষ্টাকে করেছে বাস্তবসম্মত ও কার্যকর। ৫. সম্ভাবনার দিগন্ত: কেন সফল হতে পারেন? এখানেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন— ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির কি সত্যিই সফল হতে পারেন? বিশ্লেষণে কয়েকটি কারণ স্পষ্ট হয়ে ওঠে— (১) *নিরপেক্ষতার সুবিধা*: পাকিস্তান সরাসরি এই সংঘাতের মূল পক্ষ নয়, তাই তার মধ্যস্থতা তুলনামূলকভাবে গ্রহণযোগ্য। (২) *বহুমুখী সম্পর্ক*: পূর্ব ও পশ্চিম—দুই ব্লকের সাথেই যোগাযোগ রক্ষা করার সক্ষমতা তাকে একটি অনন্য অবস্থানে দাঁড় করিয়েছে। (৩) *সামরিক ও কূটনৈতিক ভারসাম্য*: তিনি শুধু কূটনীতিক নন, একজন সামরিক কৌশলবিদও— যা তাকে বাস্তবতার মাটিতে দাঁড়িয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে। (৪) *ব্যর্থতা থেকে শেখার সক্ষমতা*: প্রথম দফার ব্যর্থতা তাকে দুর্বল করেনি, বরং আরও প্রস্তুত করেছে। *৬. ঝুঁকি ও সীমাবদ্ধতা*: পথ এত সহজ নয়; তবে বাস্তবতা কঠিন— যুক্তরাষ্ট্র তার বৈশ্বিক প্রভাব ছাড়তে চাইবে না, ইরান নিরাপত্তা নিশ্চয়তা ছাড়া আপস করবে না, ইসরায়েল অস্তিত্বের প্রশ্নে আপসহীন। এই ত্রিমুখী জটিলতা যেকোনো উদ্যোগকেই ব্যর্থ করে দিতে পারে। *৭. বিশ্বমানবতার প্রত্যাশা ও শেষ আশ্রয়* আজ পৃথিবী এক অদ্ভুত বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে— যেখানে একটি মানুষের প্রচেষ্টাকে “শেষ আশার আলো” হিসেবে দেখা হচ্ছে। ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির সফল হলে— একটি নতুন শান্তির অধ্যায় শুরু হতে পারে। ব্যর্থ হলে— পারমাণবিক সংঘাতের সম্ভাবনা আর কল্পনা থাকবে না, তা হয়ে উঠতে পারে নির্মম বাস্তবতা। *৮. বিশ্ববর্বতার ধ্বংসস্তুপে একটি মানুষ দাঁড়িয়ে* ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন প্রশ্নগুলো সবসময় সহজ মানুষের কাছে আসে না— এসে পড়ে সেই মানুষের কাঁধে, যিনি তা বহন করতে সক্ষম। ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এখন সেই অবস্থানে— যেখানে তার প্রতিটি পদক্ষেপ মানবতার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে পারে। ধ্বংসস্তুপের মধ্যেই আজ যেন পৃথিবী অপেক্ষা করছে, পারমাণবিক অস্ত্রের বীভিষিকায় কী সব ধ্বংস হয়ে যাবে, নাকি পৃথিবী শান্তির পথে হাঁটবে? শান্তি অন্বেষার সেই প্রশ্নের সমাধানে ভার নিজের কাঁধে নিয়ে সাঁতারি যাচ্ছেন, বিপদগ্রস্ত মানুষের এক ত্রাণকর্তা, ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। শান্তির নিশান তাঁর হাতেই হয়তো পতপত করে উড়ার অপেক্ষায় আছে, আর অপেক্ষায় আছে বিশ্বের তাবৎ প্রাণীকুল ও মানবতা…