মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০২:৩০ অপরাহ্ন

শিরোনাম
মাগুরায় বেকারিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করলো জাতীয় ভোক্তা অধিকার! মাগুরায় দুর্নীতি প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ব্রিটিশ আমলের আইন বাতিল করে আল্লাহর বিধানভিত্তিক বিচারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার দাবি গণঅধিকার পার্টি (পিআরপি)’র The Oxford Dialogue: Reimagining Bangladesh’s Future After July Revolution* *— Professor M A Barnik অক্সফোর্ডের প্রজ্ঞামঞ্চে জুলাই বিপ্লবের পর বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ বিনির্মাণের ভাবনা* *—অধ্যাপক এম এ বার্ণিক* মাগুরায় জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত নবীনগরে ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’ অনুষ্ঠিত শিবির নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলায় ‘প্রেমের সম্পর্ক’ দেখিয়ে বহিষ্কার — প্রতিবাদে সিরাজ উদ্দিন মেমোরিয়াল কলেজ ছাত্রদলের বিক্ষোভ যুব খাতে ইতিবাচক পরিবর্তন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সরকার বদ্ধপরিকর: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে ১০ বছর ধরে পাঠদান নতুন ভবনের দাবিতে শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের উদ্বেগ

সংবাদদাতা / ১৮৪ বার ভিউ
সময়ঃ মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০২:৩০ অপরাহ্ন

কলি আক্তার,

মোরেলগঞ্জ (বাগেরহাট) প্রতিনিধি:

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার চিংড়াখালী ইউনিয়নের ৪৬নং গাজী মেমোরিয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় এক দশক ধরে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে পাঠদান। জরাজীর্ণ এই ভবন যে কোনো সময় ধসে পড়তে পারে—এমন আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকরা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের ভবনের দেয়ালের প্লাস্টার খসে পড়ছে, ছাদের বিভিন্ন অংশে ফাটল ধরেছে। বারান্দার পিলারগুলো ভেঙে রড বেরিয়ে এসেছে। কোথাও কোথাও ইট সরে গিয়ে কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়েছে। বৃষ্টির সময় শ্রেণিকক্ষে পানি ঢুকে পড়ায় পাঠদান ব্যাহত হয়।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটি ১৯৫৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে ১৯৯৫-৯৬ অর্থবছরে সরকারি অর্থায়নে চার কক্ষবিশিষ্ট একটি ভবন নির্মাণ করা হয়। সেই ভবনটিই দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার ছাড়াই ব্যবহার হওয়ায় বর্তমানে তা মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পৌঁছেছে।
বর্তমানে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী রয়েছে ৭১ জন। শিক্ষক পদ ৫টি থাকলেও কর্মরত আছেন মাত্র ৪ জন। প্রধান শিক্ষকের পদটি ২০২০ সাল থেকে শূন্য রয়েছে। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন জাকারিয়া হাওলাদার।
শিক্ষার্থীরা জানায়, প্রতিদিন ভয়ের মধ্যে তাদের ক্লাস করতে হয়। ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী আমেনা আক্তার বলে, “ক্লাসে বসে থাকলেও ভয় লাগে, মনে হয় কখন ছাদ ভেঙে পড়ে।” একই কথা জানায় নাদিয়া আক্তার ও রুম্মান শিকদার।
অভিভাবকদের অভিযোগ, ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে সন্তানদের পাঠাতে তারা সবসময় আতঙ্কে থাকেন। একাধিক অভিভাবক জানান, “শিক্ষার জন্য সন্তানদের পাঠাই, কিন্তু প্রতিদিন ভয় নিয়ে থাকতে হয়—কখন দুর্ঘটনা ঘটে।”
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে নতুন ভবন নির্মাণের দাবি জানানো হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণ না হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে বলে তারা মনে করেন।
এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জাকারিয়া হাওলাদার বলেন, “আমরা একাধিকবার সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিতভাবে জানিয়েছি। কিন্তু এখনো কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণ জরুরি।”
স্থানীয় শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, একটি নিরাপদ ও সুন্দর শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে নতুন ভবন নির্মাণ এবং শিক্ষক সংকট নিরসন করা প্রয়োজন।
এদিকে সচেতন মহল মনে করছে, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত নজরে এনে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
আপনি চাইলে এটাকে “লিড নিউজ”, “অনলাইন ভার্সন”, বা “সংক্ষিপ্ত নিউজ” হিসেবেও আলাদা করে বানিয়ে দিতে পারি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


[prayer_time pt="on" sc="on"]