বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৩৩ পূর্বাহ্ন
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
গত ৫ অক্টোবর ( রবিবার) ফাতেমা জোহুরা নামের এক ব্যক্তি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নিউজ প্রকাশ করিয়েছেন। ‘কৃষক দলের নেতার বিরুদ্ধে কোটি টাকার জমি দখলের অভিযোগ ’ শিরোনামে কয়েকটি দৈনিক ও অনলাইন নিউজ পোর্টালে সংবাদটি প্রকাশিত হয়। সংবাদ সম্মেলন ও সংবাদটি উদ্দেশ্য প্রণোদিত হওয়ায় এর প্রতিবাদ জানিয়েছেন গোদাগাড়ী উপজেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব এ্যাড. আশরাফ মল্লিক।
এক প্রতিবাদ লিপিতে তিনি বলেছেন, আমাকে জড়িয়ে যে সংবাদ সম্মেলন ও খবর প্রকাশিত হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভুয়া, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত।আমাকে দলীয়ভাবে হেয় করতে এই সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। আমার জমি দখল সংক্রান্তে কোন সম্পৃক্ততা নেই ।
প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে,গোদাগাড়ী উপজেলার পুশুন্দা মৌজার ১ দশমিক ৪৪৭৫ একর ধানী জমির বিরোধ নিষ্পত্তি সংক্রান্তে আমিসহ এ্যাড.হেলাল উদ্দিন, এ্যাড. নজরুল ইসলাম, এ্যাড. মোহাম্মদ আলী ও এ্যাড. মোঃ সেলিম রেজাকে গত ২৭ সেপ্টেম্বর ( শনিবার) সকাল ১০ টায় জমির দলিলাদি বুঝিয়ে নেওয়ার জন্য ডাকা হয়। বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষে উপস্থিত মজলিসে গোদাগাড়ী পৌরসভার সাবেক ৮ নং কাউন্সিলর মুকুল, সাবেক ৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মামনুর রশীদ মামুন সহ প্রথম পক্ষ ফাতেমা জোহুরা ও দ্বিতীয় পক্ষ আবুল হোসেনের ওয়ারিশদের পাওয়ার অব এ্যাটর্নি মুলে মালিক আনোয়ার গং উপস্থিত ছিলেন। শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং সমাজের নিয়ম অনুযায়ী সাবেক কাউন্সিলর মুকুলকে সভাপতি করে শালিসি কার্যক্রম শুরু করা হয়। শালিস চলাকালীন সময় আমরা এ্যাড.গণ দলিলাদি পর্যালোচনা করে দেখি সমস্ত কাগজপত্র আনোয়ার গংয়ের পক্ষে রয়েছে । ফাতেমা ও তার আগের স্বামী আবুল হোসেন নিঃসন্তান ছিলেন। আইন অনুযায়ী এই জমি পুরোটাই ফাতেমা পান না। আবুল হোসেনের বোন ও ভাতিজারা জমি পান। জমি আবুল হোসেনের বোন ও ভাতিজা পাবে বলে আমি মতামত দিয়েছি। কিন্তু আমার বিরুদ্ধে যে জমি দখলের অভিযোগ আনা হয়েছে, তা মিথ্যা ও বানোয়াট । আমি জমিতেই যাইনি।সত্যতা প্রমানে উপস্থিত এ্যাড.গন সাক্ষী আছেন।শালিসে কোন প্রকার পক্ষপাতিত্ব না করেও হিংসাত্মক মনোভাব থেকে এমন নিউজ প্রকাশিত হওয়ায় আমি সামাজিক, মানষিক, রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন হয়েছি। আমি এই উদ্দেশ্য প্রণোদিত সংবাদের তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়।