মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৪৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
নোয়াখালী-১ আসনে ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকনের বিজয়ে সুশীল ফোরামের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন রাজউক কর্মকর্তা গ্রেফতার: নারী সাংবাদিক হেনস্তা ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে মামলা মাগুরায় সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের স্টেক হোল্ডার বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত মাগুরায় সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের স্টেক হোল্ডার বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত মাগুরায় জামায়াতের উদ্যোগে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ অনুষ্ঠিত Without Classrooms, Education Remains Incomplete* *—-Professor M A Barnik শ্রেণিকক্ষের দরজা বন্ধ করে দিয়ে প্রকৃত মানুষ তৈরি অসম্ভব* *—–অধ্যাপক এম এ বার্ণিক* A Voice of Principle in Parliament Barrister Nowshad Zamir—Professor M. A. Barnik ব্যারিস্টার নওশাদ জমিরের এক নতুন রাজনৈতিক বার্তা –অধ্যাপক এম এ বার্ণিক*

মাগুরায় সরকারি আবাসনের গাছ বিক্রির সম্পূর্ণ টাকা নিলো বিএনপি নেতা!

সংবাদদাতা / ২০ বার ভিউ
সময়ঃ মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৪৩ পূর্বাহ্ন

মাগুরা প্রতিনিধি//

মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার কাদিরপাড়া ইউনিয়নের কুপুড়িয়া-মাঙনডাঙ্গা সরকারি আবাসন প্রকল্পের গাছ বিক্রির সম্পূর্ণ টাকা নিয়ে নিলেন কাদিরপাড়া ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জহুর মুন্সি। তিনি আবাসন প্রকল্পের জায়গা নিজের দাবি করে ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে জোরপূর্বক আবাসন কমিটির নিকট থেকে গাছ বিক্রির ২ হাজার টাকা নিয়ে নেন। যা নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

এ ব্যাপারে আবাসনের লোকজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে মৌখিকভাবে জানান। বিষয়টি তদন্তের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স্থানীয় কাদিরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আইয়ুব হোসেন খানকে দায়িত্ব দেন।
৬ মার্চ দুপুরে ইউপি চেয়ারম্যান আইয়ুব হোসেন খান বলেন আমি সরেজমিনে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পেয়েছি এবং টিউবওয়েল সারানোর জন্য জহুর মুন্সিকে টাকাটা ফেরত দিতে বলেছি। তবে তিনি এখন পর্যন্ত টাকা ফেরত দেননি।

সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কুপুড়িয়া-মাঙনডাঙ্গা আবাসনে ১৬টি পরিবার বসবাস করে আসছে৷ পানি সংকট নিরসনে ওই পরিবারগুলোর জন্য ৪টি টিউবওয়েল স্থাপন করা হয়৷ বর্তমানে ৪টি টিউবওয়েলের ৩টি টিউবওয়েলই অকেজো হয়ে পড়ে আছে। পানি সংকটে আবাসনবাসী মানবেতর জীবনযাপন করছে। এ সমস্যা সমাধানে আবাসন কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৫৬ নং ঘরের সামনে একটি ভূত নিম গাছ বিক্রির টাকায় টিউবওয়েলগুলো সারানোর উদ্যোগ গ্রহণ করে। কিন্তু স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জহুর মুন্সি সরকারি আবাসন প্রকল্পের জায়গা নিজের দাবি করে ওই গাছ বিক্রির টাকা নিয়ে নেন। এ ব্যাপারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়রা জানান, আমাদের ১৬টি পরিবারের লোকজন খুব কষ্টে আছি। প্রায় শতাধিক মানুষের ব্যবহারের জন্য ৪টি টিউবওয়েল। যার মধ্যে ১টি মাত্র টিউবওয়েল ভাল আছে। এ একটি ও যদি নষ্ট হয়ে যায় তখন আমাদের কষ্টের শেষ থাকে না। আমরা গরীব মানুষ, টিউবওয়েল মেরামতের খরচ বহন করা আমাদের পক্ষে সম্ভব না। সামনে চৈত্র মাস আসছে, তখন আমাদের কষ্টের শেষ থাকবে না।

আবাসনে সাধারণ সম্পাদক হাসান বিশ্বাস জানান, আমাদের আবাসনে ৪টি টিউবওয়েলের মধ্যে ১টি মাত্র টিউবওয়েল আমরা ব্যবহার করতে পারছি। নষ্ট টিউবওয়েলগুলো সারানোর জন্য আবাসনের একটি আতো জ্বালা ভূত নিম গাছ বিক্রি করে টিউবওয়েলগুলো সারানোর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়৷ কিন্তু স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জহুর মুন্সি গাছ বিক্রির টাকা নিয়ে নিয়েছে। এখন আমরা নিরুপায়। এ ঘটনার পর থেকে আমরা খুব আতঙ্কে আছি।

এ বিষয়ে ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জহুর মুন্সি জানান, আবাসনের জায়গা আমার জমির মাথায়। জায়গাটি আমার। আওয়ামী লীগের সরকারের সময় জায়গাটি জোরপূর্বক দখল করে আবাসন করা হয় বলে তিনি দাবি করেন।

সেই সাথে তিনি টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করে তিনি জানান, আমি ওদের বেশ কয়েকদিন ধরে গাছটি কেটে দিতে বলছি। ওরা দেয়নি। ওরা আমাকে না জানিয়েই গাছ বিক্রি করে দেয়। আমি জানতে পেরে গাছ বিক্রির ২ হাজার টাকা নিয়ে নিয়েছি।

মোঃ সাইফুল্লাহ, মাগুরা।
তাং ০৬/০৩/২০২৬ইং


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


[prayer_time pt="on" sc="on"]