মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
মাগুরায় শ্রীপুর উপজেলায় জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালি বিজ্ঞানের জয়যাত্রা: মিরপুরে প্যারাডাইজ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে বিজ্ঞান মেলা ২০২৬ অনুষ্ঠিত মাগুরায় চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং টার্মিনাল ইজারা চুক্তি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত মাগুরার শ্রীপুরে নবাগত ইউএনও’র সাথে প্রেস ক্লাবের সাংবাদিকদের মতবিনিময় অনুষ্ঠিত জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের প্রধান আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হলেন মাগুরার অ্যাড. কাজী আব্দুর রশিদ Five Historic Challenges Facing Tarique Rahman* *— Professor M. A. Barnik তারেক রহমানের পাঁচটি ঐতিহাসিক চ্যালেঞ্জ* *— অধ্যাপক এম এ বার্ণিক* মাগুরায় শিশু একাডেমির আয়োজনে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন   মাগুরায় আর্দশ শিক্ষক ফেডারেশনের আয়োজনে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত মাগুরায় ৮ হাজার ইয়াবা ও নারীসহ ৩ মাদক কারবারি আচক! টাকা ও বাইক জব্দ!

৭২ বছর পর জাতির শ্রেষ্ট সন্তান  ভাষা শহীদ রফিকের কবরটি  চিহ্নিত

সংবাদদাতা / ১৭৫ বার ভিউ
সময়ঃ মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৬ পূর্বাহ্ন

আলো নিউজঃ 

(নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকা) 

৮ ফাল্গুন, ১৩৫৮,  (২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২) বৃহস্পতিবার  দুপুর সোয়া ৩ টায়,  ভাষার আন্দোলনে প্রথম শহীদ রফিকউদ্দিন আহমেদ। ঐদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুলার রোডের মিছিলে পুলিশের গুলিতে রফিক ঘটনাস্থলে শহীদ হন, পরে রাত ৩ টায় পাক সামরিক বাহিনীর প্রহরায় ঢাকার আজিমপুর কবর স্থানে তাকে সমাহিত করে । কিন্ত তাঁর কবর কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাওয়ার পথে, ৭২ বছর পর চিহ্নিত করেছে ভাষা শহীদ রফিকের ভাতিজা।
গত ১৬ বৈশাখ ১৪৩১ (২৯ এপ্রিল ২০২৪ ইং) সোমবার ভাষা আন্দোলন গবেষক আধ্যপক এম এ বার্ণিকের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ১৯৫২ সালে জাতির শ্রেষ্ট সন্তান ভাষা আন্দোলনে প্রথম শহীদ  রফিকের কবর চিন্তিত করতে তাঁর ভাতিজা আবদুর রউফ আজিমপুর কবর স্থানে আসেন।

এ সময় আজিমপুর  কবর স্থানে  উপস্থিত সকলকে সাথে নিয়ে কবর টিকে চিহ্নিত করেন, ভাষা শহীদ রফিকের ভাতিজা আবদুর রউফ কবরের স্থানটি সনাক্তকরণ করে দেখিয়ে দিয়েছেন  ভাষা আন্দোলন গবেষক আধ্যপক এম এ বার্ণিককে। কবর স্থানটি সনাক্তকরণে সময় আরো উপস্থিত ছিলেন  ডা.শরিফ  সাকি, কবি জান্নাতুন নাঈম এবং সাংবাদিক সাজেদা হক।

৭২ বছর পর  ভাষা শহীদ বরকতের কবরের পূর্বপার্শ্বে শহীদ রফিক উদ্দিন আহমেদ এর কবর টিকে ভাষা আন্দোলন গবেষক আধ্যপক এম এ বার্ণিককের হত ধরে তাঁর ভাতিজা সনাক্ত কারণে মাধ্যমে  চিহ্নত করে শহীদের নামাঙ্কিত ফলক ঝুলিয়ে দেন।

ভাষা সৈনিক শহীদ রফিক উদ্দিন  আহম্মেদ ১৯২৬ সালের ৩০ অক্টোবর মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইর উপজেলার পারিল বলধারা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম আবদুল লতিফ এবং  মায়ের নাম রাফিজা খাতুন। তিনি তার  পাঁচ ভাই ও দুই বোনের  মধ্যে রফিক ছিলেন সবার বড়।

রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ১৯৫২ সালে ২১শে ফেব্রুয়ারী  ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনের  রাস্তায় ১৪৪ ধারা ভঙ্গে ছাত্র-জনতা বিক্ষোভ প্রদর্শন করে।
ঐ সময় মিছিলটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হোস্টেল প্রাঙ্গনে আসলে পুলিশ তাতে গুলি চালায়, এতে   তৎকালীন জগন্নাথ কলেজের ছাত্র  রফিক উদ্দিনের আহম্মেদ মাথায় গুলিবিদ্ধ হন এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।  ভাষা আন্দোলনে তার আত্মত্যাগের জন্য ২০০০ সালে বাংলাদেশ সরকারে তাকে মরণোত্তর একুশে পদক প্রদান করে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


[prayer_time pt="on" sc="on"]